ajkerjibon.com ডায়ানাকে শয্যাসঙ্গিনী করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প - ajkerjibon.com

  • রবিবার
  • ২২শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং
  • ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ১২:০৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭
dayana

ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরানি ডায়ানাকে নিয়ে তুমুল আগ্রহ ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের, অকপটে সে কথা সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন। ১৭ বছর আগে এক রেডিও স্বাক্ষতকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, ডায়ানাকে নিয়ে বিছানায় যেতে দ্বিতীয়বার ভাবতাম না। তবে সেই রেডিও-সাক্ষাৎকারের রেকর্ডিং সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাক্তন যুবরানির মৃত্যুর তিন বছর পরে ওই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ২০০০ সালে ডিজে হাওয়ার্ড স্টার্নের রেডিও শো ট্রাম্প বলেন, “ডায়ানা ‘পাগল’ ছিলেন। তবে ওর সেই উচ্চতা ছিল, সেই সৌন্দর্য ছিল, গায়ের চামড়াটাও… সব মিলিয়ে উনি অসাধারণ।”

ট্রাম্পের চোখে সবচেয়ে ‘হট’ নারী কারা? ওই শো-তে উপস্থাপকের সঙ্গে এই নিয়েই আলোচনা চলছিল। ট্রাম্পের তালিকায় সবচেয়ে উপরে ছিলেন তার স্ত্রী এবং এখনকার ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া। তারপরে ট্রাম্প রেখেছিলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী ইভানাকে। আর এই তালিকার তৃতীয় স্থানে ছিলেন ডায়ানা।

তবে শুধু এই সাক্ষাৎকারে নয়, প্রাক্তন যুবরানিকে নিয়ে তিনি যে মুগ্ধ তা ট্রাম্প অকাতরে জানিয়েছেন তার বই, ‘দি আর্ট অব দ্য কামব্যাক’-এ। ডায়ানার মৃত্যুর তিন মাস পরে প্রকাশিত হয়েছিল এই বইটি। তাতে রয়েছে, মানুষকে এক নিমেষে মুগ্ধ করে দেওয়ার কী ক্ষমতা ছিল ডায়ানার, তা আমি দেখেছি। উনি এলেই গোটা ঘর আলোয় ভরে উঠত। এমনই তার জাদু। উনি প্রকৃত যুবরানি, স্বপ্নের নারী।

বইয়ে কিছুটা মার্জিত হয়ে কথা বললেও রেডিও শো-এ ট্রাম্পের মুখে কোন লাগাম ছিল না। ট্রাম্প বলেন, ‘বিছানায় যাওয়ার আগে অবশ্য ডায়ানার এইচআইভি টেস্ট করাতে বলতাম।’ বাস্তব জীবনেও ধনকুবের ট্রাম্পের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছিল ডায়ানার। ১৯৯৫ সালে ম্যানহাটনের হিলটন হোটেলে এক নৈশভোজে তো এক টেবিলেই বসেছিলেন ট্রাম্প ও ডায়ানা। তবে ধনকুবের ট্রাম্প যতই ডায়ানার গুণমুগ্ধ হোন, প্রাক্তন যুবরানি তাকে নিয়ে কোনও উৎসাহ দেখিয়েছেন, এমনটা দেখা যায় না।

২০১৫ সালে একটি ব্রিটিশ চ্যানেলের উপস্থাপক সেলিনা স্কট দাবি করেন, যুবরাজ চার্লসের সঙ্গে বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরেই কেনসিংটন প্যালেস (ডায়ানা সেখানেই থাকতেন) বিরাট ফুলের তোড়ায় ভরিয়ে দেন ট্রাম্প। সেই তোড়ার এক একটি ফুলের দামই ছিল একশো পাউন্ড।

ডায়ানার মৃত্যুর পরেও ট্রাম্প তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বলেছিলেন, ওই মোহময়ী নারীর সঙ্গে ‘ডেট’ করতে না পারাটা তার জীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ।

ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসী ছিলেন, সময় পেলে ডায়ানার সঙ্গে তার প্রেম হয়েই যেত।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ